সরকারী চাকুরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল শুধু বর্তমান বেতনই বাড়াবে না, বরং অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশনের অংকেও বড় পরিবর্তন আনবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পেনশনের সম্ভাব্য সুবিধাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো
:১. মূল পেনশনের পরিমাণ বৃদ্ধি,,,,,, নতুন পে স্কেলে বেতন বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ হলো ‘বেসিক’ বা মূল বেতন বেড়ে যাওয়া। যেহেতু পেনশন নির্ধারিত হয় অবসরের সময়কার শেষ মূল বেতনের ওপর ভিত্তি করে, তাই নতুন স্কেল বাস্তবায়িত হলে পেনশনের মাসিক টাকার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।
২. এককালীন গ্র্যাচুইটি বা ল্যাম্পগ্র্যান্ট,,,,,,,,অবসর গ্রহণের সময় সরকারি চাকুরিজীবীরা যে এককালীন মোটা অঙ্কের টাকা (গ্র্যাচুইটি) পান, তা সরাসরি মূল বেতনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। নতুন পে স্কেলে বেতন ধাপ পরিবর্তন হলে এই এককালীন প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে।
৩. ইনক্রিমেন্ট ও মহার্ঘ ভাতা,,,,,,,, নতুন কাঠামোতে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের হার পুনর্নির্ধারণ করা হতে পারে। এছাড়া মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পেনশনভোগীদের জন্য বিশেষ চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
৪. পারিবারিক পেনশনে বিশেষ সুবিধা,,,,,,,,, পেনশনভোগীর মৃত্যুর পর তার পরিবার (স্ত্রী/সন্তান) যে পেনশন পায়, নতুন পে স্কেলে সেই হার বা শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো অর্থনৈতিক সুরক্ষা পাবে।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ৫-১০ বছর অন্তর নতুন পে স্কেল ঘোষণা করা হয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হয়েছিল। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নতুন পে স্কেলের দাবি জোরালো হচ্ছে।
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি